
“শহীদ গোলাম রব্বানী ফাউন্ডেশন” যা ২০০৯ সালে নিজ গ্রাম ধনকুন্ডি, সীমাবাড়ী শেরপুর, বগুড়ায় প্রতিষ্ঠিত করা হয়। সম্পুর্ন নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত “বাতিঘর” নামে একটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় *“শিশু সদন”* যেখানে প্রায় ৪৫ জন এতিম অনাথ শিশুদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা, মাদ্রাসা ও স্কুলে পড়াশুনার দায় দায়িত্ব বহন করা হয়ে থাকে। অত্র এলাকায় বিভিন্ন স্কুল কলেজে অধ্যায়নরত মেধাবী গরীব শিক্ষার্থীদেরকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। এমনকি মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিশ্ববিদ্যালয়ে লেভেল পর্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে পড়াশুনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ৪৮ জন শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা, নিয়মিত ভাবে বৃত্তি প্রদান করা হয়।.
* গরীব অসহায়, স্বামী পরিত্যাক্ত, বিধবা মহিলাদেরকে মাসিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে প্রতি মাসে ২৫টি পরিবারকে পারিবারিক অনুদান প্রদান করা হয়।.
* চিকিৎসা খরচ চালাতে অক্ষম ব্যাক্তিদেরকে প্রতি শুক্রবারে সম্পূর্ন বিনা মূল্যে প্রায় ৪০০/৫০০ রোগীকে চিকিৎসা সেবা (Free friday clinic ) ব্যাবস্থাপত্র ও ঔষধ প্রদান করা হয়।চক্ষু রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে বর্তমানে বগুড়া শহরের বিশেষায়িত আধুনিক ক্লিনিক/হাসপাতালগুলোতে নিয়ে চিকিৎসা করোনো হচ্ছে। আগামী নভেম্বর মাস থেকে“শহীদ গোলাম রব্বানী ফাউন্ডেশন”এর উদ্দ্যোগে চক্ষু শিবির পরিচালনা করা হবে। এজন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।এছাড়াও জটিল রোগের জন্য অপারেশন, ডায়ালাইসিস, হার্টের রিং পরানোর জন্য অন্য কোন স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়।.
অসহায় ও অভিভাবকহীন বিবাহযোগ্য মেয়েদের বিয়ে-শাদীর ক্ষেত্রে সম্পূর্ন খরচাদী বহন করা হয়।.
* প্রতিবন্ধি অসহায় গরীব চলৎশক্তিহীন ব্যক্তিদের জন্য হুইল চেয়ার ও স্ক্রাচ প্রদান করা হয়।.
* শীতকালে গরীব শীতার্থ অসহায় মানুষদেরকে কম্বল বিতরন ও প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়।.
* বন্যায় বানভসি জনগনের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদী বিতরন করা হয়।.
* গরীব ও কর্ম অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য আটোরিকশা, ভ্যান ইত্যাদি প্রদানের মাধ্যমে আয়ের পথ সুগম করা হয়ে থাকে।.
* অসহায় বিধবা ও দুঃস্থ মহিলাদের জন্য ছাগল ও গাভী প্রদানের মাধ্যমে আয়ের পথ সুগম করা হয়।.
Ajker Bogura / Desk report
আপনার মতামত লিখুন: