• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ০৪ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

ইমিউন সিস্টেম কি এবং কিভাবে বৃদ্ধি করবেন


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১২:২৩ পিএম
ইমিউন, ইমিউন সিস্টেম

ইমিউন সিস্টেম  কি এবং যেভাবে বৃদ্ধি করবেন.

ইমিউন হচ্ছে একটি ইংরেজী শব্দ।তবে এটি বায়োলজিক্যাল বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। কারণ ইমিউন হচ্ছে এক ধরনের প্রাকৃতিক সিস্টেম.

যা আমাদের শরীরকে নানা ধরনের রোগ-জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ মানব দেহকে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণু থেকে রক্ষা করার জন্য আমাদের শরীরের যে পদ্ধতি অবলম্বন করে তাকে বলা হয় ইমিউন সিস্টেম। শুধু তাই নয় বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে থাকে। ঘুমানোর কারণে আমাদের কাজের আগ্রহ এবং শক্তি বৃদ্ধি পায়। .

 .

ইমিউন সিস্টেম শক্তি যত বৃদ্ধি পাবে তো আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং আমাদের অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি তত কমতে থাকবে। কিন্তু এমন কিছু কাজ আছে এবং খাদ্য আছে যেগুলো খেলে আমাদের ইমিউন সিস্টেম ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে এবং আমরা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ি।তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে খাদ্যাভাস। হিউম্যান সিস্টেম আমাদের শরীরের জন্য যেহেতু এত উপকারী সেজন্য আমাদের ইমিউন সিস্টেম যাতে না কমে সেদিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে।  জন্য আমাদের বিশেষ করে কেমিক্যাল জাতীয় খাদ্য একেবারে পরিহার করতে হবে। আমরা কোন কায়িক পরিশ্রম যখন করি তখন অনেকে দেখা যায় অল্পতে হাঁপিয়ে যায়, অনেকে দেখা যায় যে দীর্ঘ সময় কাজ করতে পারে। এর তারতম্য ঘটায় মূল কারণ হচ্ছে ইমিউন সিস্টেম। অর্থাৎ যার ইমিউন সিস্টেম বেশি তার কাজ করার দম তত বেশি থাকবে। .

 .

উপরের আলোচনা থেকে অবশ্যই বুঝতে পারছেন যে আমাদের শরীরের ইমিউন সিস্টেম বৃদ্ধি করা কতটা জরুরি। তাই আজকের আমাদের আলোচনার বিষয় হচ্ছে কিভাবে আপনি আপনার শরীরের ইমিউন সিস্টেম আরো বৃদ্ধি করতে পারবেন। .

 .

লাল মাংস খাওয়া.

লাল মাংস খেলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম বৃদ্ধি পায়। এখানে লাল মাংস বলতে বুঝানো হয়েছে গরু, ছাগল এবং ভেড়ার মাংসকে। কারণ এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট যা আমাদের দেহের প্রদাহকে বৃদ্ধি করে। যার কারণে আমাদের শরীরের ক্ষতিকর কোনো প্রভাব পড়তে পারে না। আমাদের শরীরে যখন ইত্যাদি রোগের যখন ঘটে তখন এই প্রদাহ সেসকল কে দূর করে দেয়। তবে এটি অবশ্যই পরিমিতভাবে খেতে হবে। কারণ পরিমিতভাবে না খাওয়া হলে অতিরিক্ত তৈলাক্ত তার কারণে পেটে সমস্যা দেখা দিতে পারে। .

 .

ভাজা খাবার পরিহার.

ভাজা খাবার সাধারণত তেলে ভাজা হয়ে থাকে। এজন্য খাবারে প্রচুর পরিমাণে তেল জমে এবং তা আমাদের পেটে চর্বির সৃষ্টি করে। বিশেষ করে যারা ফাস্টফুড খাবার খান, তাদের সমস্যা বেশি হয়। দেখা যায় এসব খাবার খেলে আমাদের শরীরের ভেতর যে খারাপ কোলেস্টেরল থাকে তার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এর ফলে আমাদের বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এটি সবচেয়ে হার্টের জন্য বেশি ক্ষতিকর হয়। এজন্য আমাদের হিউম্যান সিস্টেম কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই ভাজা খাবার পরিহার  করতে হবে। .

 .

অতিরিক্ত চিনি না খাওয়া.

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে চিনিতে যে পরিমাণ ক্যালোরি থাকে তা আমাদের শরীরে শ্বেত কণিকা এর রক ধ্বংস করার ক্ষমতাকে অনেকাংশে কমে যায়। জন্য যে সকল খাবারে অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি ব্যবহার করা হয় সে সকল খাবার কম খেতে হবে। যাতে করে আমাদের শরীরে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। গরমের সময় দেখা যায় অনেকে কোলড্রিংস খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু এতে অ্যালকোহল বিদ্যমান থাকার কারণে আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। এটি আমাদের ইমিউন বৃদ্ধি পেতে বাধা প্রদান করে। .

 .

গাজর.

গাজর খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু এবং মজাদার হয়। এটি আমাদের শরীরের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কারণ আমাদের ত্বকের ওপর এটি একটি লেয়ার চেষ্টা করে যা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। তাছাড়া কাজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। আর ভিটামিন আমাদের ইমিউন শক্তিকে ক্রমশ বৃদ্ধি করে থাকে। যদি প্রতিদিন একটি করে গাজর খাওয়া হয় তাহলে আমাদের শরীরের ইমিউন এর মাত্রা অনেক বৃদ্ধি পায়। এর পাশাপাশি মিষ্টি আলু সহ বাঁধাকপি খেতে পারেন।.

 .

 .

 . .

Ajker Bogura / Hasibul Hasan

স্বাস্থ্য বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ